সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২

লঞ্চের ভাড়া বাড়িয়ে লজ্জায় পড়ে গেছেন মালিকরা!

লঞ্চের ভাড়া বাড়িয়ে লজ্জায় পড়ে গেছেন মালিকরা!

লঞ্চ

তেলের দাম বাড়ার পর, লঞ্চের ভাড়া সমন্বয় করতে গিয়ে এতোটাই বেড়েছে যে, এখন উল্টো চক্ষু লজ্জায় কম ভাড়া নিতে শুরু করেছেন লঞ্চ মালিকরা।

যাত্রীদের অভিযোগ, যারা এই ভাড়া ঠিক করেছেন তারা শুধুমাত্র মালিকদের স্বার্থই দেখেছেন, সাধারণ মানুষের কথা ভাবেননি।

যাত্রী ও লঞ্চ বিবেচনায় নৌ পথের সবচেয়ে বড় নৌ রুট ঢাকা থেকে বরিশাল। ১৬১ কিলোমিটার দূরত্বের এই নৌ পথে জোয়ার ভাটার হিসেবে গড়ে প্রতিটা লঞ্চের যাওয়া আসায় খরচ হয় ছয় হাজার লিটার তেল। তেলের দাম ১৫ টাকা বাড়ানোয় তাদের খরচ বেড়েছে এক লাখ টাকা।

সেই খরচ মেটাতে গিয়ে কিলোমিটার প্রতি ৬০ পয়সা ভাড়া বাড়িয়ে দুই টাকা ৩০ পয়সা করেছে সরকার। আর এতে ডেকের ভাড়া বেড়েছে ১০০ টাকা। যদিও যাত্রীদের অভিযোগ, আগে থেকেই ভাড়া নেওয়া হতো জনপ্রতি ২০০ টাকা।

আর, একজনের এক হাজার টাকার কেবিন এখন দাঁড়িয়েছে ১,৪০০ টাকা। দুই জনের কেবিন ২,৮০০ টাকা। ভাড়ার এই হার এতোটাই অস্বাভাবিক যে, চক্ষু লজ্জায় এখন ভাড়া কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন লঞ্চ মালিকরা।

অন্যদিকে যাত্রীরা বলছেন, এই ভাড়া যারা নির্ধারণ করেছেন তারা সাধারণ মানুষের বদলে মালিকদের পক্ষেই কাজ করেছেন। জ্বালানি তেলের দাম যে পরিমাণে বেড়েছে, তাই কয়েকশ গুণ লঞ্চের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে।

শ্রমিকদের দাবি, যাত্রী খরা থাকলে নতুন করে ঠিক করা ভাড়াতেও লোকসানের মুখে পড়তে হবে তাদের। যার সরাসরি প্রভাব ফেলবে তাদের রুটি রোজগারে।

তবে লঞ্চ মালিকরা বলছেন, যাত্রী পেতে আর লঞ্চ চালাতে হলে সামনের দিনগুলোতে তাদের সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কমই নিতে হবে।

সম্পর্কিত খবর

বাংলার শিরোনাম ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

সর্বশেষ সংবাদ