মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১

রাতে ঝরলো শিলাবৃষ্টি, তবুও ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর

রাতে ঝরলো শিলাবৃষ্টি, তবুও ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর

ঢাকা শহরে ধুলোবালিতে চলাচলে পথচারীদের ভোগান্তি। ফাইল ছবি

প্রতিদিনই কোনো না কোনো কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বেড়ে চলেছে বায়ুদূষণের মাত্রা। এই ধারাবাহিকতায় গত কয়েকদিন ধরে মেগাসিটি ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে স্বস্তির কোনো খবর ছিল না। তবে শনিবার (২৩ মার্চ) রাতে বজ্রসহ শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এতে গত ক’দিনের চেয়ে আজ ঢাকার বায়ুর মানে উন্নতি হলেও অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে আছে।

রোববার (২৪ মার্চ) বাতাসের মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, ২৬৩ স্কোর নিয়ে দূষণের শীর্ষে রয়েছে ভারতের দিল্লি শহর। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইরাকের বাগদাদ। এই শহরটির স্কোর ১৭০ অর্থাৎ, সেখানকার বায়ু অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। অন্যদিকে, রাজধানী ঢাকা রয়েছে ১১ নম্বরে। আর বাতাসের মানের স্কোর ১৪৬ অর্থাৎ, এখানকার বায়ুর মানও অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।

একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ পর্যন্ত ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। একইভাবে স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়। পাশাপাশি ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। এছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

সাধারণত একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরনকে ভিত্তি করে। যেমন: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

আরও পড়ুন:

আরও পড়ুন

বাংলার শিরোনাম ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

সর্বশেষ সংবাদ