‘পরিস্থিতি বিবেচনায় বইমেলার সময় বাড়তে পারে’

বইমেলা। ফাইল ছবি

কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনায় বইমেলার সময়সীমা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। বুধবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অমর একুশে বইমেলার প্রস্তুতি দেখতে গিয়ে তিনি একথা বলেন।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বইমেলা ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। তবে কোভিড পরিস্থিতি ভালো হলে সময়সীমা বাড়ানো হতে পারে।

তিনি বলেন, মেলার প্রবেশ দ্বার খুলবে বেলা ২টায়। চলবে রাত ৯ টা পর্যন্ত। তবে সাধারণ দর্শনার্থীরা দুপুর ২ টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন। প্রকাশক ও স্টল কর্মকর্তারা কার্ড দেখিয়ে রাত ৯ টা পর্যন্ত যাতায়াত করতে পারবেন।

সোমবার লটারি শেষ হয়েছে। মঙ্গলবারই প্যাভিলিয়ন ও স্টল তৈরিতে নেমে পড়েছেন অনেক প্রকাশনী সংস্থা। সরেজমিনে মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঘুরে এ দৃশ্য দেখা যায়। যারা এখন কাজে নামেনি, তারা আজ থেকে মাঠে নামবে বলে জানা গেছে।

গতবারের চেয়ে ৪০টি প্রতিষ্ঠান কম অংশ নিচ্ছে এবার। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির রাজধানী শাখার সভাপতি ও অন্যপ্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি করোনার সংক্রমণ দিনে দিনে কমে আসছে এবং আশা করছি, মেলা শুরুর সময় থেকে এটি হয়তো আরও কমে যাবে।

মেলা ৩০ দিন হোক বা ১৪ দিন হোক স্টল নির্মাণসহ আনুষঙ্গিক সব খরচ একই। পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় আমাদের মেলায় জায়গার ভাড়াও বেশি। গত বছর মেলায় প্রকাশকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং সারা বছর তাদের ব্যবসা ভালো ছিল না।

এবারও যদি ১৪ দিনের মেলা হয়, তাহলে প্রকাশকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। আমরা চাই, বইমেলা যেন ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন পর্যন্ত করা হয়।

মতামত দিন