ঢাকা, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
প্রচ্ছদ » সারা বাংলা » শোক দিবসের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

শোক দিবসের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

শোক দিবসের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

বরগুনায় শোক দিবসে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশের লাঠিচার্জে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে বরগুনা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সেখানে বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শমভু উপস্থিত ছিলেন। পরে বিক্ষুব্ধ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা কয়েকটি মোটরসাইকেল ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেন। বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী আহম্মেদ বলেন, ‘জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কমপ্লেক্সে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ফেরার সময় শিল্পকলা একাডেমির সামনে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত গ্রুপের সদস্যরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় দুই গ্রুপের নেতা-কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে তারা কয়েকটি মোটরসাইকেলসহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের গাড়ি ভাঙচুর করে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রেজাউল কবির রেজা জানান, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শিল্পকলায় প্রবেশের সময় শিল্পকলার ছাদ থেকে তাদের লক্ষ্য ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এতে পুলিশের গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পুলিশ ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠিচার্জ করে।

রেজা আরও জানান, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছিলাম। এ সময় ছাত্রলীগ পরিচয়ে কিছু সন্ত্রাসী আমাদের ওপর হামলার চেষ্টা করে। পুলিশ তাদেরকে লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। কমিটি ঘোষণার পর এই সন্ত্রাসীরা একাধিকবার আমাদের ওপর হামলার চেষ্টা করেছে এবং শহরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শমভুর মুঠোফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি।

সভাপতি পদবঞ্চিত জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সবুজ মোল্লা মুঠোফোনে বলেন, ‘এ ঘটনায় আমি বা আমার সমর্থক কোনো ছাত্রলীগ কর্মী জড়িত নেই। আমি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করেই পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। কী ঘটেছে আমি জানার চেষ্টা করছি।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম তারেক রহমান বলেন, ‘শিল্পকলা একাডেমির সামনে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পুলিশ গিয়ে তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে একটি গ্রুপ শিল্পকলা একাডেমির দ্বিতীয় তলা থেকে পুলিশের গাড়িতে ইট ছুড়ে মারে। পরে পুলিশ আশেপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।’

মতামত দিন