ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২

বিএনপির আমলে হয় উন্নয়ন, আ’লীগের আমলে দুর্ভিক্ষ: মির্জা ফখরুল

বিএনপির আমলে হয় উন্নয়ন, আ'লীগের আমলে দুর্ভিক্ষ: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপির আমলে দেশে শুধু উন্নয়ন হয়। আর আওয়ামী লীগের আমলে দেশে দুর্ভিক্ষ হয়।

শনিবার বরিশালের বঙ্গবন্ধু উদ্যানে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি যতদিন ক্ষমতায় ছিল ততদিন দেশে উন্নয়ন হয়েছে। এই বরিশালেও অনেক উন্নয়ন হয়েছে বিএনপির আমলে। এখানে বিভাগ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। বিশ্ববিদ্যালয় দিয়েছেন, বিকেএসপি দিয়েছেন। আর আওয়ামী লীগ দিয়েছে দুর্ভিক্ষ।’

তিনি বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন। দেশের সবাই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে। সবাই স্বপ্ন দেখেছিল একটি সুন্দর দেশ গড়ার। কিন্তু আওয়ামী লীগ একে একে আমাদের সমস্ত স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। সব স্বপ্ন ধ্বংস করে দিয়েছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘১৪-১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ একই স্বপ্ন দেখছে এবং তারা কাজ করছে ওইভাবে যে, তারা দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে চায়। কিন্তু গণতন্ত্রের একটা খোলস বা মোড়ক রাখতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে অসংখ্য মামলা হয়েছে এবং তাদের ওপর হামলা হয়েছে। হামলা এবং মামলা হচ্ছে তাদের (আওয়ামী লীগ) একটা বড় অস্ত্র। তারা যাদের ওপর হামলা করবে আবার তাদের বিরুদ্ধেই মামলা করবে।’

ফখরুল বলেন, ‘আজকে আমাদের দেশের আলেম-ওলামারাও রেহাই পাচ্ছেন না। তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দেওয়া হচ্ছে। তাদেরকে আটক করে জেলে রাখা হচ্ছে। কেউ নিরাপদ নয়।’

দেশের অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে তিনি বলেন, ‘সমস্ত টাকা পাচার করে বিদেশে নিয়ে যাচ্ছে। বৈশ্বিক সংকট, ডলারের সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু তখন মনে ছিল না- যখন টাকাগুলো চুরি করে পাচার করছিলেন, বিদেশে পাঠাচ্ছিলেন! তখন মনে ছিল না।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘হাতিরঝিলে বড় আকারে তারা (আওয়ামী লীগ) অনুষ্ঠান করল যে, বিদ্যুতে নাকি দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ। এখন সেই বিদ্যুৎ কোথায়। কুইক রেন্টালের নাম দিয়ে সব লুট করেছে। এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যে তারা চুরি করেনি।’

আগামী নির্বাচনের বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের কথা খুব পরিষ্কার, হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। তাকে পদত্যাগ করতে হবে। সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা দিতে হবে। সেই সরকার নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করবে। তারপর নির্বাচন করতে হবে।’

মতামত দিন