
বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরুর প্রথম ৩ ঘণ্টায় প্রায় ২২ শতাংশ ভোট পড়েছে। সোমবার সকাল আটটায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। শুরুতে ধীরগতি থাকলেও ধীরে ধীরে তা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির।
নির্বাচনী কর্মকর্তারা বলেছেন, হাতের ছাপ না মেলায় ভোট গ্রহণে বিলম্ব ঘটছে। প্রচণ্ড গরমে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাররা অস্থির হয়ে উঠেছে।
এদিকে ভোটকেন্দ্রের ভেতরেই দুই কাউন্সিলরের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ২১নং ওয়ার্ডের গোরস্তান রোড মাদ্রাসা কেন্দ্রের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বরিশালের ২১নং ওয়ার্ডের গোরস্তান রোড মাদ্রাসাকেন্দ্রের ভেতরেই ভোট দিতে আসা লাটিম মার্কার প্রার্থী মু. শাহরিয়ার সাচিব (রাজিব) এবং টিফিন বক্স মার্কার প্রার্থী শেখ সাঈদ আহমেদের (মান্না) সমর্থকরা ভোট দিতে আসেন কেন্দ্রে। ভোটগ্রহণ শুরুর পর থেকেই দুই কাউন্সিলরপ্রার্থীর সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। এক পর্যায়েয়ে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
টিফিন বক্স মার্কার প্রার্থী শেখ সাঈদ আহমেদের (মান্না) একজন নারী এজেন্ট বলেন, লাটিম মার্কার কাউন্সিলর প্রার্থী ও নৌকার প্রার্থী জোর করে তাদের পক্ষে ভোট দেওয়াচ্ছেন। নারী ভোটারদের সব কেন্দ্র থেকে বের করে দিচ্ছেন। আমাদের কাউকে ঢুকতে দিচ্ছেন না। তারা আমাদের সন্ত্রাসী বলছেন। আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকিও দিচ্ছেন।
কেন্দ্রের ভেতরে হাতাহাতির পর কেন্দ্রের ভেতর থেকে উভয়পক্ষের সমর্থকদের বের করে দিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এর কিছুক্ষণ পরেই এপিবিএন ফোর্স এসে কেন্দ্রের সামনে থেকে উভয় কাউন্সিলের সমর্থকদের দূরে সরিয়ে দেয়।
এপিবিএন কর্মকর্তা দুলাল আহমেদ বলেন, এখানে ঝামেলা হচ্ছে— এমন খবর পেয়ে আমরা এসেছি। দুই কাউন্সিলরের লোকজনকে কেন্দ্রের সামনে থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি স্বাভাবিক। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পেলেই আমরা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’


